বিশ্ববাজারে চিনির দাম বাড়লেও কমেছে কফির

আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতন হয়েছে কফির। তবে ইউরোপের প্রতিকূল আবহাওয়া ও ভারতে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে বেড়েছে চিনির দাম।

আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানিয়েছে বিজনেস রেকর্ডার।

লন্ডনের ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) অপরিশোধিত চিনির দাম দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি পাউন্ড ১৫ পাউন্ড ১৯ সেন্টে পৌঁছায়। ইউরোপে তীব্র গরম ও খরায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় এ দরবৃদ্ধি হয়েছে। একই সময়ে সাদা চিনির দাম দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি টন ৪৭৭ ডলার ৫০ সেন্টে পৌঁছায়। ভারতে এক মাসের ব্যবধানে চিনির দাম ১০ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড ছুঁয়েছে। সরবরাহে ঘাটতি থাকায় আগামী কয়েক মাস দাম চড়া থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে কফির বাজারে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। বিশ্বজুড়ে সরবরাহ সংকট থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক বাজারে অ্যারাবিকা ও রোবাস্তা জাতের কফির দাম দশমিক ৯ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে সার্টিফায়েড বা স্বীকৃত কফির মজুদ আড়াই লাখ ব্যাগে নেমে এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। তবে বিশ্ববাজারে সামগ্রিক মন্দা সত্ত্বেও প্রধান উৎপাদনকারী দেশ ভিয়েতনামে স্থানীয়ভাবে কফির দামে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা গেছে।

আরও